মৈত্রী_এক্সপ্রেসঃ
ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করছে সপ্তাহে ৫ দিন।
বাংলাদেশী রেকে ৩১০৭ নং মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে সপ্তাহে ৩ দিন – শুক্রবার, রবিবার এবং মঙ্গলবার সকাল ৮:১৫ সময়ে ছেড়ে কলকাতা চিতপুর স্টেশনে পৌঁছায় বিকাল ৪টায়।
একই রেকের ফিরতিযাত্রায় ৩১০৮ নং মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের শনি, সোম ও বুধবার – এই ৩ দিন কলকাতা চিতপুর স্টেশন ছেড়ে আসে সকাল ৭:১০ সময়ে এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় বিকাল ৪:০৫ সময়ে।
ভারতীয় রেকসম্বলিত ৩১০৯ নং মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের প্রতি শুক্র ও মঙ্গলবার কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে সকাল ৭:১০ সময়ে ছেড়ে এসে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় বিকাল ৪:০৫ সময়ে।
ফিরতিযাত্রায় একই রেক নিয়ে প্রতি শনি ও বুধবার ৩১১০ নং মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে ছেড়ে যায় সকাল ৮:১৫ সময়ে এবং কলকাতা চিতপুর পৌছায় বিকাল ৪টায়।
উভয় রেকের কম্পোজিশন একই। LHB কোচের সমন্বয়ে এতে রয়েছে ৪টি এসি চেয়ারকার (স্নিগ্ধা), ৪টি এসি কেবিন কোচ, ২টি ব্রেকভ্যান কাম EoG পাওয়ার কার সম্বলিত কম্পোজিট কোচ।
১৪ই এপ্রিল ২০০৮ তারিখে চালু হয় এই ট্রেন সার্ভিস। বিরতিহীন এই ট্রেনটি একপথে ৩৯৩ কিমি পথ অতিক্রম করে। এর মধ্যে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে দর্শনা ২৭৩.৭৯ কিমি, দর্শনা থেকে গেদে ৪ কিমি, গেদে থেকে কলকাতা ১১৩.৫ কিমি।
ননস্টপ এই ট্রেনটির যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যাদি সম্পন্ন হয় এন্ড-টু-এন্ড ভিত্তিতে কলকাতা টার্মিনাল ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে। এই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য ডেডিকেটেড টিকিট কাউন্টার রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে। এছাড়া কলকাতার চিতপুর রেলওয়ে টার্মিনাল ও ফেয়ারলী প্লেসের বুকিং কাউন্টারে মিলবে মৈত্রীর টিকিট৷
এ রুটে বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন”-এ ২০ মিনিটের একটি অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে ট্রেনটির জন্য। এ সময় ভারতীয় লোকো ও বাংলাদেশী লোকোর মধ্যে রেক বিনিময় এবং পুরো রেকের ওয়াটারিং ও টিএক্সআর কর্তৃক রানিং চেক করা হয়। অপরদিকে ভারতীয় রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “গেদে রেলস্টেশন”-এও এই রেকের টিএক্সআর চেকিং এর জন্য ১০ মিনিট অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে। উল্লেখ্য ট্রেনে নিযুক্ত ক্যারেজ এটেনডেন্ট, ক্যাটারিং স্টাফ, টেলিকম অপারেটর, পাওয়ার কার টেকনিশিয়ান ও নিরাপত্তাকর্মীরা নিজ নিজ দেশের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট পর্যন্ত দায়িত্বরত থাকেন।
বন্ধন_এক্সপ্রেসঃ
খুলনা-কলকাতা-খুলনা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চলাচল করছে সপ্তাহে ২ দিন।
ভারতীয় রেকে ৩১২৯ নং বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি রবি ও বৃহষ্পতিবার কলকাতা চিতপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসে সকাল ৭:১০ সময়ে। যশোর ষ্টেশনে সকাল ১১:৩০ সময়ে যাত্রাবিরতি দিয়ে খুলনা স্টেশনে পৌঁছায় দুপুর ১২:৩০ সময়ে। ফিরতিযাত্রায় ৩১৩০ নং বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনা স্টেশন থেকে দুপুর ১:৩০ সময়ে ছেড়ে যশোরে যাত্রাবিরতি করে ২:৩০ সময়ে। কলকাতা চিতপুর স্টেশনে পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬ঃ১০ সময়ে। উভয়পথে ৩ মিনিটের যাত্রাবিরতি রয়েছে যশোর রেলওয়ে স্টেশনে।
মৈত্রী এক্সপ্রেসের ভারতীয় রেক দিয়েই এই ট্রেনটি চলাচল করছে।
বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন কার্যাদি সম্পন্ন হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “বেনাপোল আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন”-এ। এজন্য এখানে ৬০ মিনিটের একটি অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে। এই সময়ে ভারতীয় লোকো ও বাংলাদেশী লোকোর রেক বিনিময়, এবং পুরো রেকের ওয়াটারিং ও টিএক্সআর কর্তৃক রানিং চেক করা হয়। অপরদিকে ভারতীয় রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “পেট্রাপোল রেলস্টেশন”-এ উক্ত রেকের টিএক্সআর চেকিং এর জন্য ১০ মিনিটের অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে। উল্লেখ্য ভারতীয় অংশের ইমিগ্রেশন কার্যাদি মৈত্রীর মতো কলকাতা টার্মিনালেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। ট্রেনে নিযুক্ত ক্যারেজ এটেনডেন্ট, ক্যাটারিং স্টাফ, টেলিকম অপারেটর, পাওয়ার কার টেকনিশিয়ান ও নিরাপত্তাকর্মীরা নিজ নিজ দেশের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট পর্যন্ত দায়িত্বরত থাকেন।
ট্রেনটির রুট আপনাকে মনে করিয়ে দিবে হারিয়ে যাওয়া “৩১/৩২ নং বরিশাল এক্সপ্রেস” এর কথা, যেটি নিয়মিতভাবে চলাচল করতো কলকাতা-খুলনা-কলকাতা রুটে। ১৯৬৫ এর পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় ট্রেনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৯ই এপ্রিল তারিখে এই রেলযোগাযোগ পুণঃস্থাপিত হয় বন্ধন এক্সপ্রেসের মাধ্যমে।
কলকাতা থেকে খুলনা আসতে বন্ধন এক্সপ্রেস ১৭২ কিমি পথ অতিক্রম করে। এর মধ্যে কলকাতা থেকে দমদম-বনগাঁ হয়ে পেট্রাপোল পর্যন্ত ৭৮.৩ কিমি, পেট্রাপোল থেকে বেনাপোল ৩.৬ কিমি, বেনাপোল থেকে খুলনা ৯০.৪ কিমি।
এই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য ডেডিকেটেড টিকিট কাউন্টার রয়েছে খুলনা ও যশোর রেলওয়ে স্টেশনে। এছাড়া কলকাতার চিতপুর রেলওয়ে টার্মিনাল ও ফেয়ারলী প্লেসের বুকিং কাউন্টারে মিলবে বন্ধনের টিকিট৷
মিতালী_এক্সপ্রেসঃ
ঢাকা-নিউজলপাইগুড়ি-ঢাকা রুটে মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল করছে সপ্তাহে ২ দিন।
ভারতীয় রেলওয়ের রেকে ৩১৩২ নং মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনটি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সপ্তাহে ২ দিন – রবিবার এবং বুধবার সকাল ১১:৪৫ সময়ে ছেড়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় রাত ১০:৩০ সময়ে।
একই রেকের ফিরতিযাত্রায় ৩১৩১ নং মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের সোম ও বৃহষ্পতিবার – এই ২ দিন ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় রাত ৯:৫০ সময়ে এবং নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছায় সকাল ৭:১৫ সময়ে।
LHB কোচের সমন্বয়ে এই ট্রেনে রয়েছে ৪টি এসি চেয়ারকার (স্নিগ্ধা), ৪টি এসি কেবিন কোচ, ২টি ব্রেকভ্যান কাম EoG পাওয়ার কার সম্বলিত কম্পোজিট কোচ।
১লা জুন ২০২২ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এই ট্রেন সার্ভিসের অপারেশন। ৫৩৪ কিমি পথ অতিক্রম করে ট্রেনটি একপথে।
ননস্টপ এই ট্রেনটির যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যাদি সম্পন্ন হয় এন্ড-টু-এন্ড ভিত্তিতে নিউজলপাইগুড়ি ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে। এই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য ডেডিকেটেড টিকিট কাউন্টার রয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে। এছাড়া নিউ জলপাইগুড়ি ও কলকাতা রেলওয়ে টার্মিনালের বুকিং কাউন্টারে মিলবে মিতালীর টিকিট৷
এ রুটে বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “চিলাহাটি আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন”-এ ৩০ মিনিটের একটি অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে ট্রেনটির জন্য। এখানে পুরো রেকের ওয়াটারিং ও টিএক্সআর কর্তৃক রানিং চেক করা হয়। অপরদিকে ভারতীয় রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট “হলদিবাড়ী রেলস্টেশন”-এও এই রেকের টিএক্সআর চেকিং এর জন্য ১০ মিনিট অপারেশনাল স্টপেজ রয়েছে। উল্লেখ্য, ভারত থেকে ছেড়ে আসার সময় চিলাহাটিতে এবং বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাবার সময় হলদিবাড়ীতে লোকো ও ক্রু পরিবর্তন করা হচ্ছে। তবে ট্রেনে নিযুক্ত ক্যারেজ এটেনডেন্ট, ক্যাটারিং স্টাফ, টেলিকম অপারেটর, পাওয়ার কার টেকনিশিয়ান ও নিরাপত্তাকর্মীরা নিজ নিজ দেশের ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট পর্যন্ত দায়িত্বরত থাকেন।
টিকেটঃ
১) যাত্রার তারিখসহ ৩০ দিন পূর্ব হতে টিকেট পাওয়া যাচ্ছে।
২) মৈত্রী এক্সপ্রেসে ভাড়ার হারঃ এসি কেবিনে প্রতি সিট ৩০ ডলার, যেটা ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ৩৬০৫ টাকা। এসি স্নিগ্ধা চেয়ারকোচে প্রতিটি আসন ২০ ডলার হিসেবে ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ভাড়া ২৫৭০ টাকা।
৩) বন্ধন এক্সপ্রেসে ভাড়ার হারঃ এসি কেবিনে প্রতি সিট ১৫ ডলার, যেটা ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ২০৫৫ টাকা। এসি স্নিগ্ধা চেয়ারকোচে প্রতিটি আসন ১০ ডলার হিসেবে ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ভাড়া ১৫৩৫ টাকা।
৪) মিতালী এক্সপ্রেসে ভাড়ার হারঃ এসি স্নিগ্ধা চেয়ারকোচে প্রতিটি আসন ২২ ডলার করে ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ২৭৮০ টাকা। ঢাকা-এনজেপি পথে এসি কেবিনের প্রতি বার্থে ৪৪ ডলার হিসেবে ভ্যাট, ট্রাভেল ট্যাক্স ও বেডিং চার্জ সহ ভাড়া ৫২৫৫ টাকা এবং এনজেপি-ঢাকা পথে এসি কেবিনের প্রতি সিটে ৩৩ ডলার করে ভ্যাট ও ট্রাভেল ট্যাক্স সহ ভাড়া ৩৪২০ টাকা।
৫) ৫ বছর বয়স পর্যন্ত অপ্রাপ্ত টিকেটের ক্ষেত্রে ৫০% ভাড়া প্রযোজ্য হবে।
৬) ৬ মাস পরপর ডলারের মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে ভাড়ার হার পূনর্মূল্যায়ন করা হয়।
৭) ভিসাসহ বৈধ পাসপোর্ট প্রদর্শনপূর্বক কাউন্টার থেকে টিকেট প্রদান করা হয়।
৮) ফিরতিযাত্রা সহ কাউন্টারে অগ্রিম টিকেট পাওয়া যাচ্ছে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
৯) ভিসা আবেদনের বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ https://www.ivacbd.com/-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%A8%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0?ln=bn&fbclid=IwAR260Iohuegx7WvnD_I99JwIXbscB87cxTb-nOTGKz-UozCO6AD0GsnMlBQ
১০) কমপক্ষে ২ ডোজ টিকার সনদ সাথে রাখতে হবে ভ্রমনের সময়।
ভিসা প্রসেসিং ডক্টর অ্যাপার্টমেন্ট বিমানের টিকেট সহ যে কোন সার্ভিসের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।
ট্রিট এক্সপার্ট, 204 হাজিনগর, ডেমরা ,ঢাকা ।
01716124124



